আমের কতগুণ !!!

ফলের রাজা আম। টসটসে রসে ভরা এই ফল শুধু নামেই নয়, কাজেও ‘রাজা’; মানবদেহের কোষ ধ্বংস রোধ থেকে শুরু করে হৃদরোগ, অল্প বয়সেই বুড়িয়ে যাওয়া, ক্যানসার প্রভৃতি রোধ করতেও আমের জুড়ি নেই।
—আমে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ লৌহ। এ কারণে গর্ভবতী নারী ও যারা রক্তাল্পতায় ভুগছেন, তাঁদের জন্য ফলটি খুবই উপকারী। তবে কত বেশি পরিমাণ খাবেন, তা জানার জন্য চিকিত্‍সকের পরামর্শ নিতে হবে।
—জুতা পরার পর যদি পায়ে সমস্যা হয়, তাহলে ত্বকের ওই অংশে আমের ফালি ১০ মিনিট রাখুন। এরপর ধুয়ে ফেলুন। উপকার পাবেন।
—হজমের সমস্যায় ভুগলে আমই হতে পারে আপনার সবচেয়ে বড় সহায়ক। আমে রয়েছে হজমের জন্য উপকারী এনজাইম। এটি এসিডিটির পরিমাণও কমাবে।
—আম পটাশিয়াম সমৃদ্ধ। এটি উচ্চ রক্তচাপ হ্রাস করে।
—শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে চান? তাহলে খাদ্যতালিকায় আম রাখতে ভুলবেন না। কারণ আম খেলে প্রচুর পরিমাণ ক্যালরি যেমন মিলবে, তেমনি পাওয়া যাবে শর্করা।
—কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, কিডনিতে পাথর জমার ঝুঁকি কমায় আম।
—আমে রয়েছে ভিটামিন ‘ই’; এটি যৌনশক্তি বৃদ্ধি করে। শরীর গঠনেও সহায়তা করে আম।
—পরীক্ষা নিয়ে ভয়? আপনার ভরসা হতে পারে আম। এর মধ্যে থাকা গ্লুটামিন এসিড মনোযোগ বাড়াতে ও স্মরণশক্তি বৃদ্ধি করতে সহায়তা করে।
—চীনা চিকিত্‍সায় আমকে অনেক রোগ উপশমের দাওয়াই হিসেবে দেখা হয়। বলা হয়ে থাকে, রক্ত-স্বল্পতা, সর্দি, জ্বর, সামুদ্রিক ভ্রমণজনিত অসুস্থতা প্রভৃতি দূর করতে আমের জুড়ি নেই।
—যদি এসব কোনো উপকারকেই আপনি গুরুত্ব না দেন, তবু আম খাবেন। কারণ, এটি বছরের সব সময় পাওয়া যায় না।

সুস্থ্ থাকুন এই গরমেও ।



চৈত্রের শুরু থেকেই রাজধানীসহ সারাদেশে প্রচন্ড গরম পড়ে। এই কাঠফাটা রোদের মাঝেই জীবন ও জীবিকার তাগিদে ছুটে চলতে হয় অবিরাম। এই গরমে সুস্থ থাকতে আমাদের প্রত্যেকেই কিছুটা সচেতন হতে হবে বা সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। গরমে কীভাবে সুস্থ থাকা যায়, তা নিয়ে আমাদের এবারের আয়োজন।

গরমে রোগ ব্যাধি

ষড়ঋতুর এই বাংলাদেশে আমাদের কাছে প্রতিটি ঋতুর আগমনই আমাদের কাছে আনন্দদায়ক। তবে প্রতিটি ঋতুর মত গ্রীষ্মেরও ভাল ও মন্দ দিক রয়েছে। একটু সচেতন থাকলেই এর মন্দ দিক অর্থাৎ রোগ-ব্যাধি থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন। এই গরমে চলতে ফিরতে আমরা কমবেশি সবাই শারীরিক ও মানসিক ভাবে দুর্বল হয়ে পড়ি। সঠিক সময়ে সচেতন না হলে অনেক সময় তা মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। সাধারণত অতিরিক্ত গরমে যেসব সমস্যা দেখা দিতে পারে, সেগুলোর কারণ ও প্রতিকার সম্পর্কে আপনাদের কাছে তুলে ধরার চেষ্টা করছি।

হিট স্ট্রোক

এই গরমে ঘামের সঙ্গে সঙ্গে শরীরের প্রচুর পরিমাণ পানি বেরিয়ে যায়। ফলে লবণের ঘাটতি দেখা দেয়, যা শরীরকে করে তোলে অবসন্ন, পরিশ্রান্ত। এতে মাথাঘোরা বা অজ্ঞান হয়ে পড়তে পারেন অনেকেই। তাৎক্ষণিকভাবে চিকিৎসার ব্যবস্থা না করলে মৃত্যুও হওয়া অস্বাভাবিক নয়।

প্রতিকার

এই গরমে যতটুকু সম্ভব রোদে কম সময় অবস্থান করতে হবে। শরীর অবসন্ন হওয়া মাত্রই ছায়াযুক্ত বা শীতল কোন স্থানে রোগীকে নিয়ে যেতে হবে। ঠান্ডা পানি ভেজানো কাপড় দিয়ে শরীর মুছে দিতে হবে। খাবার স্যালাইন খাওয়াতে হবে, যাতে শরীরের লবণ ও পানির শূণ্যতা দূর করতে পারে। অজ্ঞান হলে বা মাথা ঘোরালে মাথায় পানি ঢালতে হবে। যদি তাতেও অবস্থার উন্নতি না হয়, তবে দ্রুত হাসপাতালে নেয়ার ব্যবস্থা করতে হবে।

পেটের পীড়া

গরমের সময় অত্যধিক তাপমাত্রায় খাদ্য দ্রব্য তাড়াতাড়ি নষ্ট হয়ে যায়। এছাড়া গরম থেকে স্বস্তি পেতে আমরা চলার পথে অনেক কিছুই খেয়ে থাকি, যেগুলোতে হয়তো রোগজীবাণু থাকতে পারে। অন্যদিকে গরমের সময় আমাদের দেশে চরম পানি সংকট থাকায় বাসায় বা হোটেলে অনেক সময় থালা-বাসন সঠিকভাবে সাবান দিয়ে পরিস্কার করা হয় না। এসব কারণে অনেকেই এ সময় পেটের পীড়ায় ভুগে থাকেন, যাকে আমরা বলি ফুড পয়জনিং। এ থেকে বমি, ডায়রিয়াসহ অনেক রোগেই আমরা আক্রান্ত হতে পারি।

প্রতিকার

পেটের এইসব পীড়া থেকে বাঁচতে হলে আমাদের অবশ্যই বাইরের খোলা খাবার খাওয়া থেকে দূরে থাকতে হবে। আর খেতেই যদি হয় তবে মানসম্পন্ন রেস্টুরেন্টে খাওয়া ভাল। বাসি খাবার খাওয়া যাবে না। খাবার আগে অবশ্যই ভালো করে সাবান দিয়ে হাত ধুতে হবে। এছাড়া পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি, শরবত, ফলের রস কিংবা ঠান্ডা পানীয় পান করতে হবে। পাতলা পায়খানা শুরু হলে খাবার স্যালাইন খেতে হবে। অবস্থা বেশি খারাপ হলে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি হতে হবে।

ত্বকের সমস্যা

গরমের সময় অনেকেরই ত্বকে বিভিন্ন রকম সমস্যা দেখা দেয়। ঘাম থেকে ঘামাচি হওয়া, তারপর সেই ঘামাচি চুলকাতে গিয়ে নখের আঁচড়ে ঘা তৈরি করা সাধারণ সমস্যা। আবার পানি সংকটের কারণে অনেকে গোসলের সময় সাবান কম ব্যবহার করে থাকেন, যার ফলে গোসলের পরও শরীর অপরিচ্ছন্ন থাকে। সেইসাথে রোদে পুড়ে ত্বক কালো হওয়া বা অনেকের ত্বকে ছোপ ছোপ দাগও পড়ে।

প্রতিকার ত্বকের সমস্যা থেকে রক্ষা পেতে সবসময় চেষ্টা করতে হবে রোদে কম অবস্থানের। বিশেষ করে ভর দুপুরে তো নয়ই। প্রতিদিন বাইরে থেকে এসেই সাবান দিয়ে ভালভাবে গোসল করতে হবে। শরীরকে সবসময় পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। বাইরে বের হলে ছাতা ব্যবহার করতে হবে (কালো বাদ দিয়ে)। ঘামের কাপড় বেশিক্ষণ শরীরে রাখা যাবে না। সবসময় হালকা রঙের কাপড় পরতে হবে। ভাল প্রতিষ্ঠানের সানস্ক্রিন লোশন ব্যবহার করা যেতে পারে। চোখের প্রদাহ জনিত সমস্যা থাকলে সানগ্লাস ব্যবহার করা ভাল। আর ঘামাচি হলে ঘামাচি পাউডার লাগাতে হবে। অনেকেরই এসময় সর্দি, জ্বর, শ্বাসকষ্ট ও হাঁপানির সমস্যা দেখা দেয়। সেক্ষেত্রে আপনাকে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। পরিশেষে বলতে চাই এই গরমে অসুস্থ হয়ে পড়া যেমন স্বাভাবিক, তেমনি একটু সচেতন হয়ে চললেই সুস্থ থাকা সম্ভব। শুধু প্রয়োজন আপনার স্বাস্থ্য সচেতনতা। তাই সচেতন হোন, সুস্থ থাকুন।

লিচুর পুষ্টিগুণ

খুবই সুস্বাদু ও দৃষ্টিনন্দন ফল হচ্ছে লিচু। বাংলাদেশেই রয়েছে নানা প্রজাতির লিচু। অতি উচ্চমাত্রার ক্যালসিয়ামের বসবাস এই ফলে। ক্যালসিয়াম এমন একটি খাদ্য উপকরণ, যা হাড়, দাঁত, চুল, ত্বক, নখের জন্য ভীষণ জরুরি। বয়স্ক নারী যাঁদের মেনোপোজ হয়ে গেছে, তাঁদের জন্য লিচু যথেষ্ট উপকারী। কারণ এসব নারীদের অতিমাত্রায় ক্যালসিয়ামের অভাব হয়। পরিণতিতে দাঁত, হাড়, চুল, ত্বক, নখ দুর্বল হয়ে যায়। অতি উচ্চমাত্রার ভিটামিন ‘সি’র আশ্রয়স্থল এই ফল। ভিটামিন ‘সি’ মৌসুমি অসুখগুলো থেকে রক্ষা করে, ত্বক, চুলের পুষ্টি জোগায়। প্রচণ্ড ক্ষতিকর আল্ট্রাভায়োলেট রশ্মি থেকে শরীরকে রক্ষা করে। এতে রয়েছে নিয়াসিন ও রিবোফ্লাভিন নামক ভিটামিন ‘বি’ কমপ্লেক্স। ভিটামিন ‘বি’ কমপ্লেক্স শরীরের জ্বালা পোড়া, দুর্বলতা দূর করে।লিচুর ভিটামিন ‘এ’ রাতকানা কর্ণিয়ার অসুখ, চোখ ওঠা, চোখের কোনা ফুলে লাল হয়ে যাওয়া, জ্বরঠোসা (জ্বরের পরে ঠোটের দুই কোণাতে বা উপরে নিচে ঘা হয়), জিহ্বার ঘা, জিহ্বার চামড়া ছিলে যাওয়া এই রোগগুলো প্রতিরোধ করে।লিচু, তরমুজ, কাঁঠাল—এগুলো গরম ফল। বেশি খেলে পেট গরম হয়ে ডায়রিয়া হয়ে যাবে। তাই নিয়মিত (যত দিন লিচু পাওয়া যায়) ও পরিমিত খাওয়াই শ্রেয়। আর অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপের রোগীদের জন্য অতিরিক্ত মিষ্টি লিচু পরিহার করাই উত্তম।

কৌতুক-০২৬ চালাকি

স্ত্রীঃ শোনো, তোমার ছেলে এখন অনেক টাকাখরচ করা শিখে গেছে। ওর জ্বালায় কোথাওটাকা লুকিয়ে রাখাও যায় না। যেখানেইরাখি খুঁজে বের করে আর মোবাইলে সারাদিন ঘুটুর ঘটুর। কি করা যায় বলোতো?







স্বামীঃ এক কাজ কর, তুমি টাকাগুলো ওরপড়ার বইয়ের মধ্যে লুকিয়ে রাখো।পরীক্ষার আগ পর্যন্ত নিরাপদ থাকবে,তারপর আবার সরিয়ে রাখলেই হবে "
:P

কৌতুক-০২৫ কি কর ?

এক ব্যক্তি ফোনে তার ডাক্তারের সাথে কথা বলছে।
ব্যক্তিঃডাক্তারসাহেব, খুব ঝামেলায় পড়েছি।
ডাক্তারঃকি সমস্যা?
ব্যক্তিঃআমার বউয়ের কানে সমস্যা হয়েছে।কথা শুনতে পাচ্ছেনা !
ডাক্তারঃআরে এটা কোনো সমস্যা না। ওষুধের নাম বলে দিচ্ছি। এটা খেলে ঠিক হয়ে যাবে। তবে আগে বুঝতে হবে কতটুকু সমস্যা হয়েছে।আচ্ছা পরীক্ষা করা যাক।
ব্যক্তিঃকিভাবে?
ডাক্তারঃএক কাজ করুন।১০মিটার দূর থেকে তাকে জিজ্ঞেস করুন সে কি করে।যদি উত্তর না পান তবে ৮ মিটার দূর থেকে তাকে জিজ্ঞেস করুন সে কি করে।এভাবে উত্তর না পেলে যথাক্রমে ৬, ৪ ও ২ মিটার দূর থেকে তাকে জিজ্ঞেস করুন সে কি করে।এবারও না পেলে একেবারে কানের কাছে গিয়ে জিজ্ঞেস করুন এবং কখন উত্তর পান তা আমাকে জানান।এরপর


















ঐ ব্যক্তি তার বউয়ের ১০ মিটার দূরে থেকে জিজ্ঞেস করল,"কি কর?"- কোনো উত্তর নাই।৮ মিটার দূরে থেকে জিজ্ঞেস করল,"কি কর?"- কোনো উত্তর নাই।৬ মিটার দূরে থেকে জিজ্ঞেস করল,"কি কর?"- কোনো উত্তর নাই।৪ মিটার দূরে থেকে জিজ্ঞেস করল,"কি কর?"- কোনো উত্তর নাই।২ মিটার দূরে থেকে জিজ্ঞেস করল,"কি কর?"- কোনো উত্তর নাই।এইবার একেবারে কাছে গিয়ে জিজ্ঞেস করল,"কি কর?"এইবার বউয়ের রাগান্বিত গলা শুনতে পেল,"এই নিয়ে ৬বার বললাম আলু আর পটল রান্না করি।

ওজন কমাবে বাদাম ।

যারা বাড়তি ওজন নিয়ে খুব বেশি চিন্তিত তাদের জন্য বাদাম খুবই কার্যকর হতে পারে। বাদাম খেলে পেট ভরা ভরা লাগে, তাই কম ক্যালরি খেয়েই ক্ষুধা দূর করা সম্ভব হয়। ওজন কমাতে অবশ্যই ক্যালরি কম খেতে হবে, কিন্তু তা করতে গেলে ক্ষুধা মেটানো সম্ভব হয় না। বাদামে আছে পর্যাপ্ত চর্বি ও প্রোটিন এবং এর চর্বির প্রায় পুরোটাই অসম্পৃক্ত ধাঁচের অর্থাত্‍ স্বাস্থ্যকর। এতে ভিটামিন বেশি না পাওয়া গেলেও পর্যাপ্ত পরিমাণে পটাশিয়াম পাওয়া যায়। তা ছাড়া ম্যাগনেশিয়াম সহ প্রয়োজনীয় আরো কিছু খনিজ রয়েছে, যারা খাদ্য নিয়ন্ত্রণ করেন, তারা ক্যালরি বেড়ে যাওয়ার ভয়ে বাদামের চর্বি এড়িয়ে চলার চেষ্টা করেন। বাদামে শর্করা সামান্যই আছে। ফলে বাদাম খেলে ওজন বাড়বে না।

কৌতুক-০২৪ গোলকধাধা

আপনি জানেন কি ?
১/ পৃথিবীর কোনো মানুষইতার জিহ্বা দিয়ে সবগুলো দাত ছুতে পারে না।
২/ আপনি নিশ্চই গাধার মতো ব্যাপারটা পরীক্ষা করে দেখছেন।
৪/ অবশেষে দেখতে পেলেন যে আসলে কথাটা মিথ্যা।
৫/ আপনার মুখে বোধহয় একটা মুচকি হাসি দেখা গেল।
৫/ আমি বাজি ধরে বলতে পারি,আপনি খেয়াল করেন নাই আমি যে নম্বর ৩/ স্কিপ করেছি।
৬/ কি চেক করে দেখলেন যে আসলেই সত্যি, তাইনা?
৭/ কিন্তু আবারো আপনি দেখেননি যে আমি নম্বর ৬/ ও স্কিপ করেছি।
৮/ এবারো বোকা হলেন।আসলে নম্বর ৬/ কিন্তু আছে।
৯/ আমি আবারো বাজি ধরলাম,নম্বর
৫/ যে দুইবার দেওয়া হয়েছে তাও আপনি দেখেননি।
১০/ আশাকরি মুখের হাসিটা আবারো ফিরে আসছে।
১১/ আসলে পুরো ব্যাপারটাই'চিলে কান নিয়ে গেছে' র মতো। যা করতে বললাম,আপনি না বুঝেই তাই তাই করলেন।
:-D :-D :-D

কৌতুক-০২৩ জুলেখা

ট্রেন ডাকাতি হচ্ছে



ডাকাতঃ এই তর নাম কি ?
১ম যাত্রীঃ সুমন ।
ডাকাতঃ যা আছে সব দিয়া দে ।
সুমন সব কিছু দিয়ে দিল ।
ডাকাতঃ এই আপনার নাম কি ?
২য় যাত্রীঃ জুলেখা ।
ডাকাতটি আবেগআপ্লুত হয়ে বললঃ জুলেখা আমার মায়ের নাম ছিল ।
আপনি সসস্মানে মুক্ত ।
ডাকাতঃ এই তর নাম কি ?










৩য় যাত্রীঃ উদয় । লোকে আদর করে জুলেখা বলে ডাকে ।
:-P

কৌতুক-০২২ রম্য সংবাদ

রাত ঠাট্টার সংবাদ পড়তেছে বেলবেলি আফা ।
সারাদেশে একযোগে মুক্তি পেয়েছে Load shedding সিকুয়্যালের দ্বিতীয় ছবি The Load shedding Returns. জানা গেছে ছবিটি দারুণ ভাবে ব্যবসা সফল হয়েছে। দেশের প্রতিটি ঘরে নিয়মিত বিরতিতে ছবিটি প্রচার করা হচ্ছে। এতে করে দারুণ খুশী ছবিটির প্রযোজক ও পরিচালক ময়নার বাপ । তিনি বলেন, ছবিটি সর্বকালের রেকর্ড ভঙ্গ করেছে,আমরা লোডশেডিং সিকুয়্যালের আরো একটি ছবির কাজ হাতে নিয়েছি, ছবিটির নাম The Dark Knight. ছবিটিতে লোডশেডিং এর কারণে রাতের বেলার অন্ধকারের ভয়াবহতা তো তুলে ধরা হয়েছে সেই সাথে দিনের বেলা ঘরের ভিতরকার অন্ধকারের ভয়াবহতা তুলে ধরা হয়েছে। The Load shedding Returns ছবিটিতে অভিনয় করেছেন প্রায় ১৬ কোটি অভিনেতা অভিনেত্রী। ছবিটিতে একটি বিশেষ গোষ্ঠী খলের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন, গোষ্ঠীটির নাম বাংলাদেশ চিকামারা শিল্পীগোষ্ঠী। আরো জানা গেছে যাদের ঘরে আইপিএস, জেনারেটর আছে তারা ছবিটি দেখা হতে বঞ্চিত হচ্ছেন। এতে করে দারুণ ক্ষেপেছেন ছবিটির সহকারী পরিচালক কচ্ছপ মামা । তিনি আইপিএস, জেনারেটর আবিষ্কারকারীকে ৪৮ ঘন্টার মধ্যে আটক করে দ্রুত বিচার দাবী করেন।
খবর - মদন চাচা , নসিমন টিভি।

ফুসফুস রক্ষায় দুই মিনিট দাঁত ব্রাশ!

ফুসফুসকে রোগমুক্ত রাখতে দিনে রাতে দুই মিনিট করে দাঁত ব্রাশ করার পরামর্শ দিয়েছেন গবেষকরা। শুনতে অবাক লাগলেও সম্প্রতি গবেষকরা দেখেছেন, মুখের জীবাণু ফুসফুসের বিভিন্ন রোগের জন্য দায়ী।এ ছাড়া শ্বাস-প্রশ্বাসজনিত রোগের ক্ষেত্রে ধূমপানের ফলে ফুসফুসের ক্যান্সার ও ক্রোনিক অবস্ট্রাক্টিভ পালমোনারি ডিজিজ (সিওপিডি) হয়। তবে সম্প্রতিক গবেষণা এ ব্যাপারে নিশ্চিত নয় যে মাড়ির জীবাণুর সিওপিডি রোগের জন্য সরাসরি দায়ী কিনা। কিন্তু এ রোগে আক্রান্তদেরসহ অন্যান্য ফুসফুসের রোগীদের ওপর গবেষণা করে দেখা গেছে, মাড়ির জীবাণু ফুসফুসের নানা রোগের জন্য দায়ী। কিন্তু কিভাবে জীবাণুগুলো এ রোগের জন্য দায়ী তা সুস্পষ্টভাবে এখনো জানা না গেলেও তারা একটা ধারণা দিয়েছেন।তাদের মতে, দাঁতের প্লাকে মাড়িতে জমে থাকা ব্যাকটেরিয়া ফুসফুসে প্রবেশ করে শুধু সিওপিডিই নয়, শ্বাস-প্রশ্বাস জনিত নানা রোগের কারণ। তাই উচিত প্রতিদিন দুইবার দুই মিনিট করে ব্রাশ করা। সম্ভব হলে প্রতিবার খাবারের পর দাঁত ব্রাশ করার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।
সূত্র : ইন্টারনেট।

কৌতুক-০২১ দাওয়াত

দোকানের মালিক ও কর্মচারীর মধ্যে কথা হচ্ছেঃ
মালিকঃ আমাদের দোকানে যে পচা ডিমগুলো ছিলো,সেগুলো কে কিনলো?
কর্মচারীঃ লিয়াকত সাহেব।
মালিকঃ গত বছরের পাঁচ কেজি আটা?
কর্মচারীঃ লিয়াকত সাহেব।
মালিকঃ আর ঐ মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়া সেমাইগুলো?
কর্মচারীঃ লিয়াকত সাহেবই সব নিয়ে গেছেন।
এমন সময় মালিকের মুখ কালো হয়ে গেল। কপাল দিয়ে ঘাম ছুটতে লাগলো। কর্মচারী ভয় পেয়ে জিজ্ঞেস করল-হুজুর আপনার কি শরীর খারাপ লাগছে?









মালিকঃ না, লিয়াকত সাহেবের বাসায় আজ আমার সপরিবারে দাওয়াত আছে।
:P

কৌতুক -০২০ ওয়াশিং মেশিন

স্বামীঃ তোমার বাবা বলেছিল বিয়ের সময় ওয়াশিং মেশিন দিবেন,বিয়ের এক বছর পার হয়ে গেল আজ পর্যন্ত পাই নাই।
.
.
.
.
.
.
.
স্ত্রীঃ মিছা কথা কও কেন?
আমাকে দেন নাই? আমি কি তোমার কাপড় ধুয়ে দেই না?
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
স্বামীঃ তাইতো কাপড়ের ময়লা কম আর পকেট বেশি পরিস্কার হয়ে যায়।
:P

কৌতুক-০১৯ শালা এবার নৌকা বানা :-D

এক বাংলাদেশী, এক ভারতীয় আর একজন পাকিস্তানী ঘুরতে বের হয়েছে আমাজানে।এরা ধরা পড়েছে জংলীদের হাতে। জংলীরা তিনজনকে একটা কুঁড়েঘরে আটকিয়ে রেখেছে। খুব চমত্‍কার একটা ফল খেতে দিচ্ছে তাদের।এই ফল খেয়ে তাদের চামড়া খুব মসৃন হয়ে যাচ্ছে। যেন তাদের যৌবণ ফিরে আসছে।এরা তিনজনেই খুশী।
এই সুখ অবশ্য বেশি দিন সইল না। একদিন সকালে জংলী সর্দার এল। এসে প্রথম ধরেছে পাকি-টাকে।তুমি কিভাবে মরতে চাও? পাকিটা বলল তোমারা যে ফলটা খেতে দাও, সেই রকম মিষ্টি কোন ফল নিয়ে আস যেটা বিষাক্ত। ওটা খেয়েই আমি মরব।তার ইচ্ছা অনুযায়ী লাল একটা ফল নিয়ে আসা হল। পাকিটা "পাকিস্তান জিন্দাবাদ" বলে ফলটা খেয়ে ফেলল। তার এসে গেলো গভীর ঘুম যা আর ভাঙ্গে না।বাঙ্গালী আর ভারতীয় দুইজন এরপর দেখল ভয়াবহ ব্যাপারগুলা। জংলীরা পাকিটার মাথা আলাদা করে সেটাকে মমি করে রাখল । বাকি শরীরের চামড়া ছাড়াল। এরপর সেটা দিয়ে বানাল ছোট একটা ক্যানু(canoe=ছোট ডিংগি নৌকা)।এইসব দেখে ভারতীয় আর বাঙ্গালীর অবস্থা খারাপ। পনের দিন পর জংলীসর্দার আবার এল। এইবার ভারতীয়টার পালা।ভারতীয়টাও "জয় হিন্দ" বলে ফল খেয়ে মারা গেল। তার মাথার মমি করা হল, চামড়াটা দিয়ে বানানো হলো ক্যানু।কিছুদিন পরে বাঙ্গালীর পালা। তাকে জিজ্ঞেস করা হলো কিভাবে মরবে? সে চাইলো একটা কাটা চামচ। এরপর কাটা চামচটা দিয়ে নিজের শরীরের নানা জায়গায় আঘাত করতে করতে বলল, "হারামজাদা! পারলে এইবার নৌকা বানা"

কৌতুক-০১৮ ওবামা ডিম পাড়ে :-D

ক্লাশে শিক্ষক ছাত্রদের কাছ থেকে পড়া জিজ্ঞাসা করছেন।
স্যার : বল্টু বলত,'আমেরিকারপ্রেসিডেন্টের নাম কি' ?
বল্টু : পারি না, স্যার ।
স্যার : তা পারবি কেন ? সারাদিন শুধু ভিডিও গেম নিয়ে পরে থাকিস । ঠিক আছে এই বিষয় নিয়ে একটা প্রশ্নকরি,'তুই যখন গাড়ি রেস দিস তখন তোর গাড়ির স্পিড কত থাকে' ?
বল্টু : মনে নেই ।স্যার : এটাও পারলি না ! সবচেয়ে সোজা একটা প্রশ্নকরি তোকে বলত,'মুরগী কী পারে' ?
বল্টু : জানিনা স্যার ।
স্যার : (রাগান্বিত কন্ঠে) কাল এই তিনটা প্রশ্নের সঠিক জবাব চাই আমি,আর এটাই তোর আজকের বাড়ির কাজ ।
পরের দিন
স্যার : কিরে বল্টু , তোকে যে কাজ দিয়েছিলাম তা হয়েছে ?
বল্টু : জি স্যার ।
স্যার : বল, সবগুলোর উত্তরএকসাথে দিবি ।
↓↓
↓↓
↓↓
↓↓
↓↓
বল্টু : স্যার উত্তরগুলো হচ্ছে,
''বারাক ওবামা ফুল স্পিডে ডিম পারে'' ।
:-D :-D :-D

কৌতুক-০১৭ ছেলে আর মেয়েদের মানসিক দূরত্ব

২ টা মেয়ে এস এস সি পরীক্ষার্থীর কথোপকথন :
.
.
.
১ম জন-- বুঝলি আজকে রিমু আমাকে ৪টা অবজেক্টিভ জানতে চাইছিল তার ভুল উত্তর বলে দিছি।
২য় জন-- ভালো করছিস।
এখন ওর রেজাল্ট খারাপ হবে।







২টা ছেলে এস এস সি পরীক্ষার্থীর কথোপকথন
:১ম জন -- মামা আজকে মেহেদীরে ৫ টা অবজেক্টিভ কইয়া দিছি।
২য় জন -- মেহেদী না তোরে একবার মারছিলো তাও কইয়া দিলি??
১ম জন -- মারামারির সময় মারামারি।
এখন পরীক্ষার সময় আগের কথা ভেবে লাভ আছে ??
মোড়ালঃ ছেলেদের মনে কোনও হিংসা নাই ।

আখের পুষ্টিকথাঃ

আখ বা ইক্ষু এই মৌসুমে বেশি পাওয়া যায়। বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এর আঞ্চলিক নাম বিভিন্ন। শর্করা আর চিনিতে পূর্ণ আখ। অতিরিক্ত পরিশ্রমীদের জন্য আখ ভীষণ উপকারী। যাঁরা প্রচুর পরিমাণে শক্তির কাজ করেন (যেমন—রিকশাচালক, দিনমজুর, কাঠমিস্ত্রি, রাজমিস্ত্রি, খেলোয়াড়, নৃত্যশিল্পী), তাঁদের জন্য আখের রস বা শরবত যথেষ্ট উপকারী। পরীক্ষার আগে ছাত্রছাত্রী ও শিক্ষকদের মস্তিষ্কের পরিশ্রম হয় বেশি। এক গ্লাস আখের রস বা শরবত মস্তিষ্কে দ্রুত গ্লুকোজ (চিনি) সরবরাহ করে। মস্তিষ্ক থেকে শক্তি তখন সারা শরীরে ছড়িয়ে যায়। বাড়ন্ত শিশুদের জন্যও আখ জরুরি পথ্য। আখ শিশুদের বৃদ্ধি ও মানসিক বিকাশে রাখে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। কারণ, এতে রয়েছে প্রায় ১৫ শতাংশ প্রাকৃতিক চিনি, খনিজ লবণ ও ভিটামিন। অতিরিক্ত জ্বর হওয়ার পরে শরীরে প্রয়োজনীয় উপাদানের ঘাটতি হয়। এ ঘাটতি পূরণ করে আখের রস। পর্যাপ্ত আখের রস, প্রচুর বিশ্রাম, আর পানি জন্ডিসকে করে দ্রুত নিরাময়। রাতকানা, চোখ ওঠা, অতিরিক্ত পড়াশোনা করার পরে চোখে জ্বালাপোড়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে আখের রস। কিন্তু উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিসের রোগীদের জন্য আখের রস নিষিদ্ধ। কারণ, এতে রয়েছে পর্যাপ্ত চিনি। বাজারের খোলা জায়গায় আখের রস বিক্রি হয়। এটা পরিহার করাই শ্রেয়।
আপনারা সবাই ভালো থাকুন,সুস্থ্ থাকুন এবং আমাদের সাথেই থাকুন।
ধন্যবাদ।

কৌতুক-০১৬শেষ ইচ্ছা


একদিন সাদ্দাম, লাদেন ও বুশের বিচার চলছিল। তাদের শাস্তি হলো ২০করে বেত্রাঘাত।বিচারক প্রথমে বুশকে বললেন শাস্তি পাওয়ার আগে তোমার শেষ ইচ্ছা কি ? বুশ বলল আমার পিঠে একটি বালিশ বাধা হোক।বুশের পিঠে বালিশ বাধা হল।১০ বারি দেওয়ার পর বালিশ গেল ফেটে।বহু কষ্টে বুশ বাকি বেত্রাঘাত সইল।এরপর লাদেন কে বলল তোমার শেষ ইচ্ছা কি ? লাদেন বলল আমার পিঠে দুইটা বালিশ বাধা হোক।তো লাদেন কে কোন আঘাত সইতে হল না। অবশেষে সাদ্দামকে বলা হলো তোমার শেষ ইচ্ছা কি???








সাদ্দাম বলল, আমারপিঠে বুশকে বাধা হোক!! :P

কৌতুক-০১৫ ভিক্ষার অফিস !

ফকিরঃ আপা আল্লাহর ওয়াস্তে একটা টাকা দেন!!
মহিলাঃলজ্জা করেনা রাস্তাতে দাঁড়াইয়া ভিক্ষা করিস!!












ফকিরঃ ওরে বেটি তোর এক টাকার লাইগা কি অফিস খুলুম ?
:P

সময় বাঁচাতে আপনার যতগুলি প্রাইজবন্ড রয়েছে তার ফলাফল জেনে নিন এক ক্লিকে।

প্রিয় পাঠক কেমন আছেন? আশা করি ভালো আছেন।আপনাদের কাছে কয়েকশ হাজার প্রাইজবন্ড জমা হয়ে আছে। যা সময়ের অভাবে পত্রিকায়

→ কৌতুক -০১৪ ←চুইঙ্গাম


একদিন চান্দু আমেরিকাতে গেছে…
সেইখানে সকালে ব্রেড জ্যাম জেলি নিয়া মনের সুখে খাচ্ছে…..
তখন সেখানে এক আমেরিকান চুইনগাম চাবাইতে চাবাইতে তার কাছে এসে আজাইরা আলাপ শুরু করলো
→ আমেরিকানঃ "তোমরা বাঙ্গালীরা পুরা ব্রেড খাও??
→ চান্দুঃ অবশ্যই!!
→ আমেরিকানঃ চুইংগাম চাবাইতে চাবাইতে আর ফুলাইতে ফুলাইতে বলতে থাকলো “ আমরা শুধু ভিতরেরটা খাই আর বাইরেরটা প্রসেসিং করে কনটেইনার এ ভরে বাংলাদেশ এ বেচে দেই!!…
→ আমেরিকানঃ তোমরা কি ব্রেড এর সাথে জ্যাম খাও??
→ চান্দুঃ অবশ্যই!!!
→ আমেরিকানঃ আবার চুইংগাম চাবাইতে চাবাইতে বলল আমরা খাইনা, কারন আমরা ব্রেকফাস্ট এ ফল খাই আর অইগুলার ছোকলা আর ঝুটা গুলা দিয়ে জ্যাম বানাইয়া বাংলাদেশ এ পাঠাইয়া দেই!!!
এইবার চান্দু বললঃতোমরা কি আমেরিকাতে সেক্স কর??
→ আমেরিকানঃ অবশ্যই করি!!
→ চান্দুঃ তাইলে কনডম ইউজ করলে ওইটা কি কর??
→ আমেরিকানঃ ফেলে দেই !
→ চান্দুঃ আমরা ফালাইনা!!
অইগুলা দিয়া চুইংগাম বানাইয়া আমেরিকাতে বিক্রি করি…!!!